Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন

 সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন
হাসান খানঃ নারায়ণগঞ্জ -৩ সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন, শনিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ৩য় তলা ভবনের উদ্ধোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।
মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বক্তব্যে বলেন।
স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে কেবল মুক্তিযোদ্ধারাই দুটি ভাতা পাবেন। অন্য কোনো সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী এই ভাতা পাবেন না। মুক্তিযোদ্ধারা গত বছর থেকে এ ভাতা পাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, সারা দেশের স্মৃতিস্তম্ভ ও দখল হয়ে যাওয়া বদ্দভূমি গুলো উদ্ধার করে সংস্কার করা হবে। যাতে আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে। সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের দাফনের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং কবরগুলো একই ডিজাইনের হবে যাতে ভবিষৎ প্রজন্ম দেখলেই বুঝতে পারে এটা একটা মুক্তিযুদ্ধার কবর। আগামী বছর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের একই ডিজাইনে বাড়ি করে দেওয়া হবে প্রতিটি বাড়ির ব্যয় হবে ১৫ লাখ টাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল ও চিকিৎসা খরচ সহ ৩ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি।
 

জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সার, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক অঞ্জন কুমার সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সংসদের সাবেক কমান্ডার সোহেল রানা, ডেপুটি কমান্ডার ওসমান গনি, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সেলিনা আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাকিম,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সোনারগাঁ উপজেলার সভাপতি সনিয়া আক্তার প্রমুখ।

সংগঠন কে শক্তিশালী করতে নিজ পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিতে পারিনা কাজী আনিস

সংগঠন কে শক্তিশালী করতে নিজ পরিবারকে ঠিকমতো  সময় দিতে পারিনা কাজী আনিস

স্টাফ রিপোর্টার।।নেতা হওয়া চট্টিখানি কথা নয়। এর পেছনে থাকে ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রম। থাকে কর্মীদের প্রতি নি:স্বার্থ ভালোবাসা। সেই পরিশ্রম এবং ভালোবাসা দিয়ে যিনি কর্মীবান্ধব নেতা-তিনি কাজি আনিসুর রহমান। বলা যায়-যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাড়ির খবরও যার নখদর্পনে,তিনিই কাজি আনিসুর রহমান। অবশ্য, একদিনেই তিনি এই স্থানটিতে উঠে আসেননি। এর জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা ছিল অবর্ণনীয়। মেধা আর কাজের সমন্বয় ঘটিয়ে মন জয় করে নেন সকলের। হয়ে উঠেন সংগঠনের মধ্যমনি।
যুবলীগের সাংগঠনিক কর্মসূচীর ফাইলপত্র, প্রচার বিভাগের যাবতীয় কাজ, কর্মীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণসহ তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করাই ছিল কাজি আনিসের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব। মূলত এই কারণেই তৃণমুলে সংগঠনের ভিত হয়ে উঠে বেশ শক্তিশালী। ফলে সংগঠনের চেয়ারম্যান কাজপাগল ওমর ফারুক চৌধুরীর নেক নজরেও আসতে থাকেন তিনি। আর এভাবেই স্বীয় যোগ্যতা প্রদর্শনপূর্বক তিনি স্থান পান যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বর্তমানে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক তিনি।
রাতদিন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে ব্যস্থ থাকা কাজি আনিস নিজ পরিবারে সময় দিতে না পারলেও সংগঠনকেই নিজের পরিবার মনে করতেন-এমন কথা যুবলীগ কর্মীদের মুখে মুখে। কাজী আনিসুরের এইসকল গুনই একটা সময়ে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ফলে একটি চক্র কাজী আনিস এবং যুবলীগ ঘায়েলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। বিশেষ করে সারাদেশে যুবলীগ যখন কাউন্সিলদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সম্মেলন করে আসছে-সেই সময়ই থেকেই শুরু হয় ঐ চক্রের নানমুখী তৎপরতা। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন বিভিন্ন সভাসমাবেশ এবং দলীয় সভায় যুবলীগকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন, তখন থেকেই গাত্রদাহ শুরু হয় ঐ চক্রের।
এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা যুবলীগ নেতা শাহ জামাল জানিয়েছে- সারাদেশে যুবলীগকে চাঙ্গা করতে চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পরেই দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান কাজ করে গেছেন। যেখানেই যা প্রয়োজন, আনিসুর রহমান তা করে যাচ্ছেন। সারা দেশে যুবলীগকে এগিয়ে নিতে তাঁর চেষ্টার কোন কমতি নেই। নেতাকর্মীদের মধে ঐক্য গড়া, তাদের কে সাংগঠনিকভাবে পাকাপুক্ত করতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা পাভেল আহমদ জানিয়েছেন- সুনামগঞ্জের পদবীধারী নেতা থেকে তৃণমূলের কর্মী পর্যন্ত আনিসুর রহমানের সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কর্মীদের কিভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হয় তা তিনি ভালো করেই যানেন।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান বলেন, রাজধানীতে চলা ক্যাসিনো থেকে সকল দলের নেতাই ভাগ বসাতেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো- তাহলে যুবলীগ কেনো হঠাৎ করে আলোচনায় আসলো? বিষয়টা সত্যিই রহস্যের। তিনি বলেন, যারা এতদিন টাকা খেয়ে নেশায় বুদ ছিলেন, মূলত সেই চক্রের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সামনে নিয়ে আসা হলো যুবলীগকে। প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান নতুন বিষয় নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন এরই ধারাবাহিকতায় যুবলীগেরও পথ চলা। কিন্তু যুবলীগের শুদ্ধতায় পথ চলায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় একটি পক্ষ। তারা প্রধানমন্ত্রীর নেক নজর থেকে যুবলীগকে সরিয়ে ফেলতে চায়-বলেই চলছে ধারাবহিক প্রচারণা।
সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা মাসুম আহমদ একটি ছড়া কেটে বলেন, ‘ও ভাই কানা, আমার জানা, তুমি ছিলে কি ? ঘি যখন পাওনি খেতে, বলছো এখন ছি’। তিনি বলেন, ‘কেটে যাবে ঘণ ঘোর, রাত শেষে আসে ভোর’। যুবলীগ চক্রান্তের শিকার-এমন বিষয় নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব-এমন গুজব ছড়ানো শেষ না হতেই সিলেটে আমাদের মহানগর সভাপতি আলম খান মুক্তির নিকট কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের নাম দিয়ে একটি ফেইক আইডি থেকে চাঁদা চাওয়া হয়। শুধু এখানেই শেষ নয়-চাঁদার জন্য একটি বিকাশ নাম্বার পাঠিয়ে দ্রুত টাকা প্রেরণের তাগিদও প্রদান করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের ব্যক্তিগত সেল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য আদায় করা সম্ভব হয়নি।

কাজী আনিস একজন দায়িত্বশীল কর্মী বান্ধব নেতা

কাজী আনিস একজন দায়িত্বশীল কর্মী বান্ধব নেতা


স্টাফ রিপোর্টার।।নেতা হওয়া চট্টিখানি কথা নয়। এর পেছনে থাকে ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রম। থাকে কর্মীদের প্রতি নি:স্বার্থ ভালোবাসা। সেই পরিশ্রম এবং ভালোবাসা দিয়ে যিনি কর্মীবান্ধব নেতা-তিনি কাজি আনিসুর রহমান। বলা যায়-যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাড়ির খবরও যার নখদর্পনে,তিনিই কাজি আনিসুর রহমান। অবশ্য, একদিনেই তিনি এই স্থানটিতে উঠে আসেননি। এর জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা ছিল অবর্ণনীয়। মেধা আর কাজের সমন্বয় ঘটিয়ে মন জয় করে নেন সকলের। হয়ে উঠেন সংগঠনের মধ্যমনি।
যুবলীগের সাংগঠনিক কর্মসূচীর ফাইলপত্র, প্রচার বিভাগের যাবতীয় কাজ, কর্মীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণসহ তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করাই ছিল কাজি আনিসের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব। মূলত এই কারণেই তৃণমুলে সংগঠনের ভিত হয়ে উঠে বেশ শক্তিশালী। ফলে সংগঠনের চেয়ারম্যান কাজপাগল ওমর ফারুক চৌধুরীর নেক নজরেও আসতে থাকেন তিনি। আর এভাবেই স্বীয় যোগ্যতা প্রদর্শনপূর্বক তিনি স্থান পান যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বর্তমানে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক তিনি।
রাতদিন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে ব্যস্থ থাকা কাজি আনিস নিজ পরিবারে সময় দিতে না পারলেও সংগঠনকেই নিজের পরিবার মনে করতেন-এমন কথা যুবলীগ কর্মীদের মুখে মুখে। কাজী আনিসুরের এইসকল গুনই একটা সময়ে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ফলে একটি চক্র কাজী আনিস এবং যুবলীগ ঘায়েলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। বিশেষ করে সারাদেশে যুবলীগ যখন কাউন্সিলদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সম্মেলন করে আসছে-সেই সময়ই থেকেই শুরু হয় ঐ চক্রের নানমুখী তৎপরতা। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন বিভিন্ন সভাসমাবেশ এবং দলীয় সভায় যুবলীগকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন, তখন থেকেই গাত্রদাহ শুরু হয় ঐ চক্রের।
এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা যুবলীগ নেতা শাহ জামাল জানিয়েছে- সারাদেশে যুবলীগকে চাঙ্গা করতে চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পরেই দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান কাজ করে গেছেন। যেখানেই যা প্রয়োজন, আনিসুর রহমান তা করে যাচ্ছেন। সারা দেশে যুবলীগকে এগিয়ে নিতে তাঁর চেষ্টার কোন কমতি নেই। নেতাকর্মীদের মধে ঐক্য গড়া, তাদের কে সাংগঠনিকভাবে পাকাপুক্ত করতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা পাভেল আহমদ জানিয়েছেন- সুনামগঞ্জের পদবীধারী নেতা থেকে তৃণমূলের কর্মী পর্যন্ত আনিসুর রহমানের সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কর্মীদের কিভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হয় তা তিনি ভালো করেই যানেন।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান বলেন, রাজধানীতে চলা ক্যাসিনো থেকে সকল দলের নেতাই ভাগ বসাতেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো- তাহলে যুবলীগ কেনো হঠাৎ করে আলোচনায় আসলো? বিষয়টা সত্যিই রহস্যের। তিনি বলেন, যারা এতদিন টাকা খেয়ে নেশায় বুদ ছিলেন, মূলত সেই চক্রের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সামনে নিয়ে আসা হলো যুবলীগকে। প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান নতুন বিষয় নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন এরই ধারাবাহিকতায় যুবলীগেরও পথ চলা। কিন্তু যুবলীগের শুদ্ধতায় পথ চলায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় একটি পক্ষ। তারা প্রধানমন্ত্রীর নেক নজর থেকে যুবলীগকে সরিয়ে ফেলতে চায়-বলেই চলছে ধারাবহিক প্রচারণা।
সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা মাসুম আহমদ একটি ছড়া কেটে বলেন, ‘ও ভাই কানা, আমার জানা, তুমি ছিলে কি ? ঘি যখন পাওনি খেতে, বলছো এখন ছি’। তিনি বলেন, ‘কেটে যাবে ঘণ ঘোর, রাত শেষে আসে ভোর’। যুবলীগ চক্রান্তের শিকার-এমন বিষয় নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব-এমন গুজব ছড়ানো শেষ না হতেই সিলেটে আমাদের মহানগর সভাপতি আলম খান মুক্তির নিকট কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের নাম দিয়ে একটি ফেইক আইডি থেকে চাঁদা চাওয়া হয়। শুধু এখানেই শেষ নয়-চাঁদার জন্য একটি বিকাশ নাম্বার পাঠিয়ে দ্রুত টাকা প্রেরণের তাগিদও প্রদান করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের ব্যক্তিগত সেল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য আদায় করা সম্ভব হয়নি।

সোনারগাঁও মোঘল সম্রাট ঈশা খাঁ’র রাজধানী সামান্য বৃষ্টিতেই পাকা রাস্তায় জলাবদ্ধতা পর্যটকদের চরম ভোগান্তি

সোনারগাঁও মোঘল সম্রাট ঈশা খাঁ’র রাজধানী সামান্য বৃষ্টিতেই পাকা রাস্তায় জলাবদ্ধতা পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
জসিম উদ্দিন {রাজিব}
নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী। সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
 
সোনারগাঁয়ে এই পর্যটন নগরী পানাম ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের বেহাল দশার কারনে ঐতিহ্যের শিকড় সন্ধানে আসা শতশত পর্যটক ও স্থানীয় এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ সড়কটি মেরামত করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়। তাই এ সড়কটি পূণঃসংস্কারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
 
বাংলাদশ সড়ক ও জনপদের (সওজ) তথ্য মতে, সোনারগা৭ও পৌরসভার চিলারবাগ থেকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পর্যন্ত সড়কটি সওজের অধীন। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়লে এলাকাবাসীর আন্দোলন ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প কর্তৃপক্ষের লিখিত আবেদনের পর ৫ মাস আগে সওজের প্রধান কার্যালয় থেকে অর্থ বরাদ্ধ দিয়ে সড়কটি দ্রুত মেরামত করার জন্য নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগকে নির্দেশ দেয়া হয়। পরে ওয়েষ্টার্ন কন্সট্রাকশন এন্ড শিপ বিল্ডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে মেরামতের কার্যাদেশ পেয়ে অল্পকিছু জায়গায় নিম্নমানের ইট সুরকি দিয়ে কাজ সম্পন্ন করে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করনে।
 
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে ঘুরতে আসা পর্যটক ও পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ড, সনমান্দী, বৈদ্যের বাজার ও বারদীর লোকজনের চলাচলের একমাত্র সড়ক এটি। সামন্য বৃষ্টি হলেই হাটু সমান পানি জমে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় ধীরগতিতে যানবাহন চলছে এতে ব্যস্ততম এ সড়কটিতে প্রতিদিন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী মাসুদ,হানিফ,রবিন,মামুন ও শিপন হোসেন বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পাঁচমাস আগে সড়কটি মেরামতের দুইমাস পরেই ভেঙ্গে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে সড়কে গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।
 
এ ব্যপারে সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক রবিউল হোসাইন প্রতিদিনের কাগজ প্রতিনিধিকে বলেন, সোনারগাঁয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ অতিদ্রুত সংস্কার করা অতীব জরুরি। ১৩ জুলাই শুক্রবার বাংলাদেশে দেশে সফররত ওআইসির ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ও পানাম নগরী পরিদর্শন করতে এসে এ রাস্তার কারনে দূভোর্গে পড়েন। এ রাস্তাটির কারনে প্রতিদিন বিদেশী ও দেশী পর্যটকদের কাছে সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্যগত ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
 
নারায়ণগঞ্জ সড়ক বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী মতিয়ার রহমান বলেন, সড়কটিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমাট সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করতে উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

প্রধানমন্ত্রীর হাতের ছোঁয়া হারাতে চায় না সোনারগাঁয়ের ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

প্রধানমন্ত্রীর হাতের ছোঁয়া হারাতে চায় না সোনারগাঁয়ের ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

জসিম উদ্দিনঃ
সোনারগাঁয়ে আফনান নূর নিহা ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনির তিতাস শাখার শিক্ষার্থী। জুলাই মাসের ৪ তারিখ থেকে কেমন জানি আনমনা হয়ে থাকে নিহা। বঙ্গবন্ধুর গৌরবগাঁথা ইতিহাস, প্রধানমন্ত্রীর সোনার বাংল  গড়ার কৃতিত্বের ইতিহাস জানতে চায়। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর জীবনী শুনে তার চোখের পানি বেরিয়ে আসে। চোখে পানি কেন জানতে চাইলে অঝড় ধারায় কাঁদতে থাকে। সে জানায়, যে পোশাকে বঙ্গবন্ধুর কণ্যার হাতের ছোঁয়া আছে সে পোশাক বাদ দিয়ে তাদের বিদ্যালয়ে নতুন পোশাক আসছে এতে সে খুব কষ্ট পাচ্ছে।


পরে সে বিদ্যালয়ে এসে বন্ধুদের কাছে খোলা চিঠি লিখে তার মনের অনুভ’তি জানায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি কোমলমতি শিশুদের ভালবাসা সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করে, যে পোশাকে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতের ছোঁয়া আছে, সে পোশাক কখনো গা থেকে নামাবে না। শুরু হয় শিক্ষার্থী অভিভাবকদের যুদ্ধ। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাস থেকে পড়ে আসা নীল-সাদা পোশাকের উপর প্রধানমন্ত্রীর আদরে ছোঁয়া ও ভালবাসা প্রবাহমান রাখতে স্থানীয় সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস, কাউন্সিলর ফারুক আহমেদ তপন ও সাংবাদিকদের বরাবর স্বারক লিপি প্রদান করে। নতুন পোশাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন অধিকাংশ অভিভাবক।
গতকাল সরেজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কোন রকম মতবিনিময় না করে বিদ্যালয়ের পরিচালনা সভাপতি আবু নাইম ইকবাল এককভাবে ড্রেস পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।
আফনান নূর নিহা ও অন্যান্যরা জানান, ২০১৫ সালে সুন্দর হাতের লেখা ও গল্প লেখার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে নীল-সাদা ড্রেসে পুরস্কার আনতে যায়, তখন প্রধানমন্ত্রী তাকে অনেক আদর করেছে। মাথায়,কপালে ও ড্রেসে হাত বুলিয়ে দিয়েছে। তাই এ পোশাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতের ছোয়া লেগে আছে। আরো জানার, আমরা এ পোশাক পড়ে একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চাই।
নামপ্রকাশ অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, অধরা প্রমানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার গ্রহনকরার পর থেকে একটি চক্র ২০১৬ সাল থেকেই পোষাক পরিবর্তন করতে চাচ্ছিল। কিন্তু তৎকালিন প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান ও নিবার্হী কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলামের বাঁধার কারনে তা বাস্ততবায়ন করতে পারেনি। চক্রটি পরিকল্পিতভাবে তৎকালিন প্রধান শিক্ষককে অন্যত্র বদলী করে পরে নতুন ইউএনও আসার পর তারা আবার সক্রিয় হয়ে পোশাক পরিবর্তনের ঘোষনা দেন। আর নতুন পোষাক বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেন বর্তমান প্রধান শিক্ষক রেহেনা বিলকিস।
এ ব্যাপারে অভিভাবক কমিটির সদস্য ও স্থানীয় কাউন্সিলর ফারুক আহমেদ তপন জানান, একটি বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরিবর্তন হচ্ছে আমি তা জানতে পারলাম শিক্ষার্থীদের স্বারক লিপি পড়ে। এটা সত্যিই দুঃখজনক।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যদি ড্রেস পরিবর্তন করতে হয় তবে সকল শিক্ষক ও অভিভাবক কমিটির সদস্যদের সাথে আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে  সরকারকে জানাতে হবে। পরে অভিভাবকদের ড্রেসের ব্যাপারে জানিয়ে দিবে। তবে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ছোঁয়া যে ড্রেসে আছে সেই ড্রেস তারা পরিবর্তন করতে চায় না।
চতুর্থ শ্রেনির একজন শিক্ষার্থীর দেয়া স্বারক।

স্বারক লিপিতে স্থানীয় সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস, স্থানীর পৌর কাউন্সিলর ও বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদ তপন ও উপজেলা প্রেসক্লাব বরাবর লিখিত ভাবে ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আগের পোষাক রাখার জন্য আবেদন করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার জানান, এ ব্যাপারে স্বারক লিপি পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলেছি। যদি কারো আপত্তি থাকে তাহলে যেন স্কুল ড্রেস পরিবর্তন করা না হয়।

টঙ্গীতে গাছা থানা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের পরিচিতি সভা

টঙ্গীতে গাছা থানা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয়  চার নেতা পরিষদের পরিচিতি সভা

জাহিদ হাসান জিহাদঃ টঙ্গীতে গাছা থানা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের পরিচিতি সভা গতকাল সোমবার টঙ্গী বাজার গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতির কার্যালয়ে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গাছা থানা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব শাহীন খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: ইলিয়াস হাওলাদার মঞ্জুর পরিচালনায় পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এড. আজমত উল্লা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, সহ সভাপতি আ: ছালাম বেপারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মোল্লা, সহ প্রচার সম্পাদক মো: আব্দুস সাত্তার মিয়া, নাট্য বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মিয়া, গাছা থানা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা ইদ্রিস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সিহাব উদ্দিন নিপু, সহসভাপতি জসিম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মো: রাব্বি হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, সদস্য সজিব হোসেন প্রমুখ।
 

আলোচনা সভা শেষে গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. আজমত উল্লা খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।