Showing posts with label প্রশাসন. Show all posts
Showing posts with label প্রশাসন. Show all posts

সোনারগাঁয়ে ফুলবাড়িয়া বাড়ি-মজলিশ ও বাড়ি-চিনিষ এলাকা স্থানীয় সুশীল সমাজের উদ্যোগে লক ডাউন

সোনারগাঁয়ে ফুলবাড়িয়া  বাড়ি-মজলিশ ও বাড়ি-চিনিষ এলাকা স্থানীয় সুশীল সমাজের উদ্যোগে লক ডাউন
হাসান খানঃ  নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার ফুলবাড়িয়া,  বাড়ি মজলিশ ও বাড়ি চিনিষ এলাকায় বিভিন্ন পাড়া মহল্লা লকডাউন করেছ স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল।
(৬ এপ্রিল) বিকেলে ফুলবাড়িয়া সন্ধ্যা থেকে বাড়ি চিনিষ ও বাড়ি মজলিশ এলাকার সকল রাস্তা বন্ধ করে দেয় তারা।
এলাকাবাসী জানায়, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজেদেরকেই সচেতন হতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় এই করোনার রোগী পাওয়া যাচ্ছে, তাই আমরা নিজেদের উদ্যোগে এলাকার প্রবেশ মুখ গুলো বন্ধ করে দিয়েছি। সেইসাথে সবকয়টি মসজিদ থেকে মাইকিং করে ঘর থেকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে বের হতে নিষেধও করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছি সবাইকে।
এসময় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করছে ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইমরান,বিজয়, বাধন,জসিম,রাকিব,মিলটন,নয়ন সহ আরো অনেকে  ।


 বাড়ি চিনিষ ও বাড়ি মজলিশ থেকে ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করছে মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাজহারুল ইসলাম মানিক, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা মেম্বার, মামুনুর রশিদ পাপ্পু, শামীম আহমেদ, ও সুজনসহ আরো অনেকে।

৫০,০০০ টাকা ঋণ নিলে, হাতে পান ২৫,০০০ টাকা

৫০,০০০ টাকা ঋণ নিলে, হাতে পান ২৫,০০০ টাকা

প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
হাওর উপজেলা মিঠামইনে ব্যাংক থেকে ঋণের পুরো টাকা পাচ্ছেন না গ্রাহকেরা। গ্রাহকদের অনেকে ঋণের টাকা তোলার পর দালালের খপ্পরে পড়ছেন। এমন অভিযোগে এক দালালকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রাহকদের দাবি, এর সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জড়িত।
সম্প্রতি জনতা ব্যাংক মিঠামইন সদর বাজার শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তোলার পর অর্ধেক টাকা খুইয়েছেন মোহামিন নামের এক গ্রাহক। এ ঘটনায় তিনি কামাল হোসেন নামের এক দালালের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পুলিশ কামালকে গ্রেপ্তার করে। তিনি কামালপুর গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে।
মামলা থেকে জানা যায়, কৃষক মোহামিন চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে জনতা ব্যাংকে মিঠামইন শাখায় গিয়ে ঋণের আবেদন ফরম তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যাংকের লোকজন তাঁকে ফরম না দিয়ে কয়েক দিন অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর ব্যাংক থেকে কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ব্যাংকের পরামর্শে তিনি কামালকে ব্যাংকের কর্মকর্তা ভেবে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কামাল তখন ঋণের বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। ঋণটা খুব প্রয়োজন বিধায় মোহামিন কিছু টাকা দিতে রাজি হন। কামাল জনতা ব্যাংক থেকে একটি ফরম তুলে ৫০ হাজার টাকা ঋণ চেয়ে মোহামিনের স্বাক্ষর নিয়ে নিজেই ফরমটি ব্যাংকে জমা দেন। ফরম পূরণের ৩ দিন পর ১৫ ফেব্রুয়ারি কামাল ফোন করে মোহামিনকে উপজেলার গোপদীঘি এলাকার চান মিয়াকে নিয়ে মিঠামইন বাজারে যেতে বলেন। মোহামিন কথামতো চান মিয়ার সঙ্গে মিঠামইন বাজারে গেলে কামাল ফোন করে তাঁদের একটি দোকানে যেতে বলেন। দোকানে গেলে কামাল জনতা ব্যাংকের একটি চেক বই মোহামিনের হাতে দিয়ে স্বাক্ষর করতে বলেন। তিনি কামালের কথামতো স্বাক্ষরের পর ৫০ হাজার টাকার চেকটি চান মিয়ার হাতে দিয়ে ব্যাংকে যান। সেখানে তাঁর আরেকটি স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর চান মিয়া গ্রাহক মোহামিনকে নিয়ে আবার সেই দোকানে আসেন। সেখানে কামাল তাঁর (মোহামিন) হাতে জোর করে ২৫ হাজার টাকা তুলে দিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেন।
এ ঘটনার পর মোহামিন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কামাল জনতা ব্যাংকের কেউ নন। তিনি জনতা ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে নিয়মিত জোর করে এভাবে টাকা রেখে দেন।
মোহামিন ছাড়াও আল আমিন নামের আরেক ঋণগ্রহীতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে গিয়ে এ রকম ভোগান্তির অভিযোগ করেন। তাঁদের অভিযোগ, দালালের মাধ্যমে প্রত্যেক ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে প্রায় অর্ধেক টাকা রেখে দেওয়ার এ অপকর্মের সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকসহ অন্য কর্মকর্তারা জড়িত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অন্তত পাঁচজন ঋণগ্রহীতা অভিযোগ করেন, জনতা ব্যাংকের ঋণ প্রদানে অনিয়ম-দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানিতে অতিষ্ঠ হাওরের অনেক কৃষক। কারও কারও ক্ষেত্রে ঋণের অর্ধেক টাকা রেখে দেওয়া হয়।
তবে মিঠামইন শাখা জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক তুলিপ কুমার সাহা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তিনি একজন কৃষককে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০-৮৫ লাখ টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার কামালের ব্যাপারে তিনি দাবি করেন, কামাল তাঁর গ্রাহক, মোহামিনও গ্রাহক। দুজনের মধ্যে কী হয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। কামালের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগসাজশ নেই দাবি করে তিনি বলেন, প্রত্যেক ঋণগ্রহীতা তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবের মাধ্যমে টাকা নেন। এখন মোহামিন কেন কামালের দোকান থেকে ২৫ হাজার টাকা নিলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির রব্বানী বলেন, কামালের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংকে মধ্যস্থতা করে গ্রাহকদের তোলা ঋণের প্রায় অর্ধেক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে জন্য তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে, কামাল এসব কাজ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে করে থাকেন।

আইজিপি পদক পেলেন গাজীপুর র‍্যাব -১ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন

আইজিপি পদক পেলেন গাজীপুর র‍্যাব -১ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন
 

    

জাহিদ হাসান জিহাদ।। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার-পুলিশ হবে জনতার’ এই পতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ শুরু হয়েছে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ বছর ৭১৩ জন পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন বিপিএম, পিপিএম ও আইজিপি পদক। এর মধ্যে সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে চারটি ক্যাটাগরিতে ১১৮ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকের (পিপিএম) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পেয়েছেন ৫৯৫ জন।

পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের এ আইজিপি পদক (আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ) পেয়েছেন র‍্যাব-১ এর গাজীপুর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) পুরস্কার হিসেবে তাকে আইজিপি ব্যাজ পড়িয়ে দেন।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ায় ১০ হাজার উটকে গুলি করে মারার নির্দেশ

পুরস্কার পাওয়ার পর আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ পুরস্কার তাকে সামনে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা যোগাবে। তিনি সারাজীবন দেশের নির্যাতিত এবং নিপীড়িত মানুষের হয়ে কাজ করতে চান। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ, মাদক এবং সন্ত্রাস দূর করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

উল্লেখ্য, এ বছর তিনি ১০ জন জঙ্গি, বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের আসামি, কয়েকশ মাদক মামলার আসামিকে গ্রেফতারসহ গাজীপুরের ১৩টি থানার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। তার সাহসী নেতৃত্বে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, হত্যা মামলার ভূমিদস্যু, চোরাকারবারিসহ প্রায় ৫শ জন আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করে অপরাধ মুক্ত দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া গাজীপুরের বিলাশপুরে চাঞ্চল্যকর রিনা হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করেন।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০১৯ পালিত।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০১৯ পালিত।

 হাসান খান ' নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে ৩১বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে বিজয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

শহীদ মজনু পার্কে বিজয় স্তম্ভে ফুল দিয়ে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং অগণিত মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ।
 সোনারগাঁ ছাড়াও সারা দেশেই সব শ্রেণি-পেশা’র মানুষ অংশ নিয়েছেন  বিজয় উৎসবে। আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে । বিজয় দিবসকে ঘিরে প্রধান সড়ক ও সড়ক-দ্বীপ জাতীয় পতাকায় স’জ্জিত করা হয়েছে।

আজ গৌরবময় বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণ করেছিল পাকহানাদার বাহিনী। চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

বিজয়ের অনুভূতি সবসময়ই আনন্দের। তবে একই সঙ্গে দিনটি বেদনারও, বিশেষ করে যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের জন্য। অগণিত মানুষের আ’ত্মত্যাগের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের; যেসব নারী ভ’য়াবহ নির্যা’তনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের। এ দেশের মানুষের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার তথা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফল নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
কোটি কোটি মানুষকে তিনি স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন একই লক্ষ্যে অবিচল একদল রাজনৈতিক নেতা। তাদের সবাইকেই আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকালে বিজয় স্তম্বে ও পরে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রকিবুর রহমান খাঁন, সোনারগাঁ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মনিুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।



যুবলীগ নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করছে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা

যুবলীগ নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করছে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় গাজীপুর মহানগর যুবলীগের অন্যতম নেতা এম এম সোহেল রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক লেলিয়ে দিয়ে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে বলে খবর পাওয়া গেছে মর্মে যুবলীগ নেতা এম এম সোহেল রানা বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছে যার নং-১২৬৮, তারিখ ৩১-১০-২০১৯। সাধারণ ডায়রীর সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরের ৩৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিন খাইলকুর এলাকার হাজ্বী বজলুর রহমানের ছেলে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের অন্যতম নেতা এম এম সোহেল রানা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় একতা ক্যাবল ভিশন নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে সুনামের সহিত ব্যবসা করিয়া আসিতেছে। ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় উক্ত এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছেলে কুখ্যাত ফেনসিডিল ব্যবসায়ী মজিবুর ওরফে ডাইল মজিবুর (৫০), বাবু (৩৫), জয়নাল, দক্ষিন খান এলাকার কাশেম ভূইয়ার ছেলে একরামুল ওরফে গাঞ্জা একরামুল (৩৫), খাইলকুর এলাকার সেকান্দর আলীর ছেলে ইয়াবা হারুন (৪০) এদের বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণে উল্লেখিত ব্যাক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর মহানগর যুবলীগ নেতা এম এম সোহেল রানার সাথে বিরোধ করে আসছে। উক্ত বিরোধের ধারাবাহিকতায় ঢাকা থেকে সাংবাদিক এনে গত ৩০-১০-২০১৯ তারিখে দৈনিক দেশ রূপান্তর নামক একটি পত্রিকায় এম এম সোহেল রানাকে নিয়ে সোহেল রানার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে। উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পত্রিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম নিন্দা জানিয়ে এলাকার জনসাধারণ সামাজিক যোগাযোগে প্রতিবাদ জানায়। এদিকে এম এম সোহেল রানা সাংবাদিকদের জানান, আমি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, ছোট বেলা থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুঁকে ধারণ করে গাজীপুর ২ আসন থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এম পি ও গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহŸায়ক আলহাজ্ব কামরুল আহসান সরকার রাসেল ভাইয়ের হাত ধরে রাজনীতি করে আসছি। উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকায় বীরদর্পে মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। আমি এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন রকম অভিযোগ এনে মিথ্যা তথ্য সাংবাদিকদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ পরিবেশন করছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।r

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু



জসিম উদ্দিন রাজিবঃ ক্রিকেট খেলা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলার ৮দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দ্বীন ইসলাম (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দ্বীন ইসলাম পিরোজপুর ইউপির নয়াগাঁও গ্রামের মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দ্বীন ইসলামের বড় ভাই ইলিয়াস মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহত দ্বীন ইসলামের ভাই ইলিয়াস জানান, গত ৪ তারিখে নয়াগাঁও ঈদগাহ মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে আমার ভাইয়ের রাজু নামের একজনের সঙ্গে তর্ক-বির্তক হয়। এ সময় একই ইউপির বড়নয়াগাঁও গ্রামের এরশাদ উল্লাহ মিয়ার ছেলে আহসান উল্লাহ এসে আমার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে উপস্থিত অন্যরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেন। খেলা শেষে দ্বীন ইসলাম বাড়িতে ফেরার পথে আহসান উল্লাহসহ আরো ৩/৪জন অঅমার ভাইয়ের পথরোধ করে তাকে পিটিয়ে এবং হত্যার উদ্যেশে ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয়। এ সময় ভাইয়ের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।


মারাত্মক আহত দ্বীন ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে ৮ দিন চিকিৎসার পর গতকাল বিকেলে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮ টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় জড়িতের সন্দেহে একই গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে শাহিন (২০) নামে একজনকে আটক করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে থানা পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে।