ফেসবুকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে মামলা

ফেসবুকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দায়ে ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে মামলা


নিজস্ব প্রতিনিধি।। ফেসবুকে সাংবাদিককে নিয়ে বিভ্রান্তি, আপত্তিকর মন্তব্য ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজব ছড়ানোর দায়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের এক ওয়ার্ড সচিবের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত আনোয়ারুল করিম জুয়েল সিটি করপোরেশনের ৩৮ নং ওয়ার্ড সচিব হিসেবে কর্মরত। গত সোমবার রাতে গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন স্থানীয় সাংবাদিক জাহিদ হোসেন জিহাদের ভাই রাসেদুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বাদী রাসেদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তার ভাই জাহিদ হোসেন জিহাদ প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক। গত কয়েকদিন আগে গাজীপুর সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের ত্রান বিতরণের অনিয়মের বিভিন্ন সংবাদ ও তথ্য সাংবাদিক জিহাদ তার ফেসবুকে প্রচার করে। এর জের ধরে ৩৮নং ওয়ার্ড সচিব আনোয়ারুল করিম জুয়েল সাংবাদিক জিহাদকে নিয়ে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে আপত্তিকর ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ছড়িয়ে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে। এছাড়া সাংবাদিক জিহাদকে নগরীর যেখানে পাবে সেখানেই গণধোলাই দেওয়ার হুমকি দিয়ে পোস্ট করেন।

গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোনারগাঁয়ে ফুলবাড়িয়া বাড়ি-মজলিশ ও বাড়ি-চিনিষ এলাকা স্থানীয় সুশীল সমাজের উদ্যোগে লক ডাউন

সোনারগাঁয়ে ফুলবাড়িয়া  বাড়ি-মজলিশ ও বাড়ি-চিনিষ এলাকা স্থানীয় সুশীল সমাজের উদ্যোগে লক ডাউন
হাসান খানঃ  নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার ফুলবাড়িয়া,  বাড়ি মজলিশ ও বাড়ি চিনিষ এলাকায় বিভিন্ন পাড়া মহল্লা লকডাউন করেছ স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সচেতন মহল।
(৬ এপ্রিল) বিকেলে ফুলবাড়িয়া সন্ধ্যা থেকে বাড়ি চিনিষ ও বাড়ি মজলিশ এলাকার সকল রাস্তা বন্ধ করে দেয় তারা।
এলাকাবাসী জানায়, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজেদেরকেই সচেতন হতে হবে। বিভিন্ন জায়গায় এই করোনার রোগী পাওয়া যাচ্ছে, তাই আমরা নিজেদের উদ্যোগে এলাকার প্রবেশ মুখ গুলো বন্ধ করে দিয়েছি। সেইসাথে সবকয়টি মসজিদ থেকে মাইকিং করে ঘর থেকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে বের হতে নিষেধও করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছি সবাইকে।
এসময় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করছে ফুলবাড়িয়া গ্রামের ইমরান,বিজয়, বাধন,জসিম,রাকিব,মিলটন,নয়ন সহ আরো অনেকে  ।


 বাড়ি চিনিষ ও বাড়ি মজলিশ থেকে ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করছে মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাজহারুল ইসলাম মানিক, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সাবিনা মেম্বার, মামুনুর রশিদ পাপ্পু, শামীম আহমেদ, ও সুজনসহ আরো অনেকে।

মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচ ও একতা সংঘের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচ ও একতা সংঘের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

হাসান খানঃ

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ মোগরাপাড়া এইচ জি জি এস স্মৃতি বিদ্যালয়ের  ২০০৪ ব্যাচ ও একতা সংঘের উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের পার্দুভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া ২ শতাধিক অসহায়, গরীব, দুঃস্থ‌্যদের মাঝে আজ ০৪-০৪-২০ইং তারিখে রাতের আধারে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।
রাতে এশার নামাজের শেষে  চাল, ডাল, আলু, আটা, তেল ও সাবানসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। সোনারগাঁ থানায় বিভিন্ন গ্রামের ২ শতাধিক অসহায়, গরীব, দুঃস্থ‌্যদের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।
ত্রান সামগ্রী বিতরন কালে উপস্থিত ছিলেন, মোগরাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৪ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র/ ছাত্রী নিয়ে গঠিত একতা সংঘের সকল সদস্য। সদস্যরা আশা রাখেন আমাদের ন্যয় যার যতটুকু সাধ্য আছে সবাই গরিব, অসহায়, দুস্থ ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবেন। সংগঠন টির সদস্যগন তাদের পরিচয় প্রকাশ করতে বিরত থাকেন।   
একতা সংঘ ২০০৪ ব্যাচের একটি বিষেশ আহবান সমাজের ধনী গরিব সকলকে করোনা ভাইরাস থেকে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সকর মানুয়ের জন্য মহান আল্লাহ নিকট মুক্তি কামনা করছি ।


সোনারগাঁওয়ে ঢাকা-চিটাগং মহাসড়কে কাচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই পরিবহণ চলাচল মানছেনা সরকারী নিষেধাজ্ঞা।

সোনারগাঁওয়ে ঢাকা-চিটাগং মহাসড়কে কাচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই পরিবহণ চলাচল মানছেনা সরকারী  নিষেধাজ্ঞা।
হাসান খানঃ
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ে ঢাকা-চিটাগং মহাসড়কে মানছে না গণপরিবহণ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা। কাচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই চলছে গণপরিবহন। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারা দেশে গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা থাকলেও বন্ধ হয়নি উপজেলার সোনারগাঁও কাচপুর  এলাকার ঢাকা-চিটাগাং  মহাসড়কে গণপরিবহনগুলো। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণা দিয়েছেন ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ রাখার । কিন্তু সরকারের সেই নিষেধাজ্ঞা মানছে না ট্রাক মাইক্রোসহ গণপরিবহনের চালক ও মালিকরা । রোববার(২৯মার্চ) সকালে উপজেলার মোগরাপারা চৌরাস্তা মদনপুর ও কাচপুর  এলাকার ঢাকা-চিটাগাং  মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, এ যেনও দেখার কেউ নেই, কাচপুর পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই চলছে গণপরিবহন । পরিবহণগুলোতে চোখে পড়ার মতো  অনেক যাত্রী দেখা গেছে আবার  মোটরসাইকেল যাএী নেয়ার দ্রিশ দেখা গেছে ।

সোনারগাঁওয়ে ফ্রেশ কোম্পানির দখলদাররা করোনার চেয়েও ভয়ংকর ভাইরাস ধারণা এলাকাবাসীর !!

সোনারগাঁওয়ে ফ্রেশ কোম্পানির দখলদাররা করোনার চেয়েও ভয়ংকর ভাইরাস ধারণা  এলাকাবাসীর !!

লকডাউনে প্রশাসন যখন ব্যস্ত সাধারন মানুষকে ঘরে রেখে স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিতে সেই সুযোগে কিছু অমানুষ ব্যস্ত দখল বানিজ্যে। সরকারি জমি, খাস খ🤩
তিয়ানের শতশত একর জমি ও অসহায় মানুষের জমি দখল করে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে আছেন। এ সময় অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে যেখানে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়ার কথা সেখানে তারা অসহায়দের সম্বলহানি ও স্বা
স্থ্য ঝুকিতে ফেলতে ব্যস্ত। তারা কি সত্যিই  🙂😌🥰😫রক্তমাংসে গড়া মানুষ নাকি করোনার চেয়েও ভয়ংকর কোন ভাইরাস?

সারাদেশ যখন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে ঘরবন্দী ঠিক সে সুযোগে সোনারগাঁয়ের  কম্পানীগুলো ব্যস্ত নদী, খাল ও সরকারি খান জমি দখলে।

প্রশ্ন হলো ডিসি, এসপি, বিআইডব্লিউিটএ, কোষ্টগার্ড, নদী রক্ষা কমিশন, স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, সড়ক ও জনপদের কারো চোখে পড়ে না কেন?

গতকাল মনিরামপুর উপজেলার এসিল্যান্ড তিনজন সত্তুরোর্ধ অসহায় বাবাদের ভ্যান চালানোর অপরাধে জনসম্মূখে কান ধরে উঠবস করিয়েছেন? লকডাউনে বাড়ি থেকে বের হওয়ায় অনাহারী মানুষগুলোর শাস্তি যদি কানধরে উঠবস হয় তবে আমরা দেখতে সোনারগাঁয়ের কোম্পানীর শিক্ষিত কর্তাব্যক্তিদের কি শাস্তি হয়? তারা তো সরকারের লকডাউন না মেন সরকারি সম্পত্তি, খাল, নদী দখল করে কারখানার দূষিত বর্জ্য নিষ্কাশন করে প্রকৃতি, পরিবেশ ও জনজীবনে চরম ভোগান্তি ডেকে আনছে। আমরা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

আরেকটা প্রশ্ন স্থানীয় জনপ্রতিনিরাই বা কোথায়। মোগরাপাড়া ইউনিয়নের যে জায়গায় দখল হচ্ছে সেই ওয়ার্ডে ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক এমপি, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপকমিটির নেতা, জেলা পরিষদ সদস্য, যুবলীগের সভাপতি, ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান সভাপতি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক, ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সহসভাপতিসহ অনেক নেতার বাড়ি, নুনেরটেকে বারদী চেয়ারম্যান এরা কেউ কি এ দখলরোধে কার্য্যত কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন? তারা কি সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন?
এ বিষয়ে মেঘনা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার কার্তিক চন্দ্র সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর লাইনটি কেটে দেন।

বিঃদ্রঃ- ছবিদুটি আজ সকালে সোনারগাঁয়ের ফুলবাড়িয়া  ও নুনেরটেক থেকে তোলা।

প্রবীণ সাংবাদিকের ঘাড় মটকে দিতে চাইলেন ওসি আসলাম

প্রবীণ সাংবাদিকের ঘাড় মটকে দিতে চাইলেন ওসি আসলাম


হাসান খানঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আসলাম হোসেনের বিরুদ্ধে এক প্রবীণ সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরনের অভিযোগ উঠেছে।

 ২৭ মার্চ শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরেই ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নুরুর সাথে এমন অশোভন আচরন করেন ওসি আসলাম হোসেন ও অপারেশন তারিকুল আলম জুয়েল।

অশোভন আচরনের শিকার সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নুরু জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে থানার ভেতরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই অপারেশন তারিকুল আলম জুয়েল ধমকের সুরে বলেন, আপনি কোথায় যাবেন।

থানার ভিতরে কেন আসছেন। তখন নুরুল ইসলাম নুরু ওয়াস রুমে যাওয়ার কথা জানালে তিনি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বলেন, এটা ওয়াস রুমে যাওয়ার জায়গা না। এসময় ওসি আসলাম অপারেশন তারিকুল আলম জুয়েল পাশেই দাড়িয়ে ছিলেন।

সাংবাদিক নরুল ইসলাম নুরু ওসি আসলাম হোসেনকে বললেন, ভাই আপনি তো আমাকে চিনে আপনার সামনে তারিকুল সাহেব এ ধরেনে ব্যবহার করতেছে।

আপনি কিছু বলেন। আমরা সাংবাদিকরা থানায় তথ্য সংগ্রহরের জন্য আসি। তখন ওসি আসলাম হোসেন অপারেশনের এমন আচরনের প্রতিবাদ না করেই নিজেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন।

তিনি প্রবীন সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নুরুকে বলেন, আপনি কিসের বালের সাংবাদিক। আপনার ঘাড় মটকে ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে দিবো।

 আপনি এসপির সামনে আমার বিরুদ্ধে কথা বলেন। আপনি কত বড় সাংবাদিক। আপনাকে আমি এ থানায় থাকলে দেখায় দিবো।

 আজকে থেকে এ থানার ভেতরে আপনার আশা সম্পূর্ন নিষেধ।
এমন অশোভন আচরনে ফতুল্লার সাংবাদিক সমাজে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে যদি ওসি আসলাম হোসেন অপসারন না হয় তাহলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারী উচ্চারন করেন তারা।

উল্লেখ্য গত ১৫ মার্চ ফতুল্লা মডেল থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউস ডে তে বক্তব্য রাখেন প্রবীন সাংবাদিক নরুল ইসলাম নুরু।

 তার বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন সাংবাদিক পুলিশ একে অপরের পরিপুরক। কিন্তু এ থানা তার ব্যতিক্রম। ওপেন হাউস ডের নামে চলে ফতুল্লা মডেল থানায় চলে গোপন হাউস ডে।

ওসি আসলাম হোসেনে বিরুদ্ধে এমন বক্ত্য দেয়াতে তার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে এমন অশোভন আচরন করেছেন বলে জানান নরুল ইসলাম নুরু।

সারাদেশ যখন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে ঠিক সে সুযোগে সরকারি খাল দখলে ব্যস্ত অদৃশ্য শক্তি

সারাদেশ যখন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনে ঠিক সে সুযোগে সরকারি খাল দখলে ব্যস্ত অদৃশ্য শক্তি
হাসান খানঃ সারা দেশে প্রায় ২০০০টি শিল্প কল-কারখানা । অর্ধেকের বেশি ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) স্থাপন করেনি বা সব সময় চালু রাখে না বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। শিল্পবর্জ্যরে বড় শিকার হচ্ছে রাজধানী বা শিল্প এলাকার নদীগুলো। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, বালু, হালদা, কর্ণফুলী, সুরমা, রূপসা কিংবা ব্রহ্মপুত্র কোনো নদীই রেহাই পাচ্ছে না #ফুলবাড়িয়া_এলাকা_ও এ দূষণের হাত থেকে। শিল্পের উন্নয়নের সাথে সাথে দেশে দূষণের ভয়াবহতাও বাড়ছে। শিল্প-কারখানা থেকে নির্গত তরল বর্জ্য, বিষাক্ত রাসায়নিক এবং অন্যান্য মানুষের বর্জ্য ইত্যাদির মাধ্যমে নদী-খাল ইত্যাদি দূষণ হচ্ছে। #নারায়ণগঞ্জ_এর_সোনারগাঁও_মোগরাপাড়া_ফুলবাড়িয়া  ও এর #আশপাশের_১৬_টা_এলাকার নদী-খাল, বায়ু দূষণ হচ্ছে। পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় ফুলবাড়িয়া সহ ১৬ টি এলাকা বা শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষিত করছে। এসব শিল্প কল-কারখানার বেশিরভাগই শব্দ দূষণ করছে। কল-কারখানার বর্জ্য পানির পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।। কিন্তু সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে কারও বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট শিল্প মালিকের তেমন মাথা ব্যথা নেই। পানির ঢলে শিল্পবর্জ্য হালদায় পড়ে নদী দূষণ হচ্ছে। ফলে এলাকার অন্যতম বৃহত্তম প্রাকৃতিক মাছের অভয়ারণ্য হুমকির মুখে। #মোগরাপাড়া_ফুলবারিয়া_হতে_মেঘনা_নদী_পর্যন্ত শিল্প কারখানাগুলোর বর্জ্য হালদা সংযুক্ত খাল ও সংযুক্ত পরিত্যক্ত জমিতে পড়ছে। এর ফলে বর্ষাকালে বা বন্যার সময় খাল বেয়ে হালদার পানিতে পড়ছে এসব বর্জ্য। এতে ফসল নষ্ট হচ্ছে, মাছ মরছে। দূষণ হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। শিল্পবর্জ্য ও দখলে অস্তিত্ব হারাচ্ছে ১৬টি এলাকার খাল ফসল জমি ও নদ। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও বিষাক্ত বর্জ্য এই এলাকার পানির রঙ পাল্টে দিচ্ছে। ভয়াবহ দূষণের শিকার হচ্ছে। কোথাও পানির রঙ লাল হয়ে গেছে আবার কোথাও কালচে হয়ে যাচ্ছে পানির রঙ। #টিপুরদির #কেন্টাকি_টেকক্সটাইল_লিঃ_ফ্রেশ_উসান_ও_চৈতী_গ্রুপ  আরও অনেক শিল্প কারখানা থেকে ময়লার পানি ও শিল্পের এসিডের পানি আমাদের এলাকা ও জনগনদের অনেক ক্ষতি  করছে । এখান থেকে শিল্পবর্জ্য পানি শীতল্ক্ষ্যা-ও মেঘনা নদীতে  পড়ছে। এর ফলে ফসলাদু জমি গুলা নষ্ট হয়ে গেছে
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিল্প খাত হচ্ছে বস্ত্র ও পোশাক খাত। পোশাক কারখানা বা এর সংশ্লিষ্ট কারখানাতেই দূষণ বেশি।

বুয়েটের এ গবেষণায় বলা হয়, পরিবেশের ওপর বেশি প্রভাব ফেলছে বস্ত্র শিল্পে ব্যবহৃত পানি ও সেখান থেকে নিঃসরিত বর্জ্য। এ শিল্পের কারখানায় উৎপাদিত প্রতি ইউনিট কাপড়ে ভালোমাত্রায় পানির ব্যবহার হয়। এর প্রভাবে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ ব্যাপক হারে কমছে। আবার বস্ত্র শিল্প-কারখানা থেকে নির্গত পানি কোনো পরিশোধন ছাড়াই নদী ও শুকনো জমিতে গিয়ে মিশছে। এ অপরিশোধিত বর্জ্য পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বস্ত্র শিল্প অধ্যুষিত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও অঞ্চলগুলোর নদী ও পানি সবচেয়ে বেশি দূষণের শিকার হচ্ছে।

এবং মোগরাপাড়ার ফুলবারিয়ার খাল হয়ে শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদী দূষণের কারণে ওই অঞ্চলে দূষিত পানি ব্যবহার করার ফলে মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
জেলা প্রশাসক ও সোনারগাঁও থানার ইউএনও
কে এই বিষয় টা গুরত্বসসহ দেখার অনুরোধ ভোক্তভুগি এলাকাবাসি

সোনারগাঁওয়ে কাচপুর হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া ঘুশ বানিজ্যের অভিযোগ

সোনারগাঁওয়ে কাচপুর হাইওয়ে পুলিশের বেপরোয়া ঘুশ বানিজ্যের অভিযোগ


হাসান খানঃ গত ১৯-০৩-২০২০ ইং  নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ে মদনপুর থেকে কাচপুর জেতে মাঝামাঝি  কিউটের কোম্পানির  সামনে রকেট ডিস্টিভিউসন মালিক এর বাইকের পিছনে বেপরোয়া গতি সম্পন্ন সৌদিয়া পরিবহন দাক্কা দেয়।

ডিস্ট্রিভিউশন মালিক ও ম্যানেজার বাইক নিয়ে রাস্তার পরে গেলে আশেপাশের লোকজন ও একটি প্রাইভেট কার এসে সাথে সাথে বাসটির গতিরোধ করে ,ওই সময় বাস এর চালক ও রকেট ডিস্টিভিউসন এর মালিক এর কথা কাটাকাটির এক প্রজায় আইনের প্রতি স্রোধা জানিয়ে রকেট ডিস্টিভিউসন মালিক কাচপুর হাইওয়ে পুলিশকে ফোন করে , কিছুক্ষণের মধ্যে  কিউটের সামনে উপস্থিত হয় কাচপুর হাইওয়ে পুলিশের এস আই মাহাবুব, তখন রকেট ডিস্টিভিউসন এর মালিক ও আসেপাশের লোকজন  পুলিশ এর কাছে  আটক করা গাড়িটি বুঝিয়ে দেন।
 আসেপাশের লোকজনের কথাশুনে  পুলিশ  আশ্বাস প্রধান করেছেন আপনারা আগে চিকিৎসা করেন আমরা গাড়িটি থানায় নিয়ে যাচ্ছি গাড়ির মালিক ও আপনাকে নিয়ে এক সাথে বসে যেভাবে সুন্দর হবে উভয়ের খতির বিষয় চিন্তা করে  মিট করবো কিন্তু ২ দিন অতিক্রম হলেও কোনো রেস্পন্স না পেয়ে রকেট ডিস্টিভিউসন এর মালিক কাচপুর হাইওয়ে থানায় হাজির হয়ে দেখে আটক করা গাড়িটি থানায় নাই পাসে থাকা এক কনস্টেবলকে জিজ্ঞেস করলে জান্তেপারে আটককীত গাড়ি ঐ দিনই ছেরে দেয়া হয়েছিলো, এই বেপারে রকেট ডিস্টিভিউসন এর মালিক খোব প্রকাশ করে  আমাদের জানান,  নাজানিয়ে ছেড়ে দেয়ার মানি হলো টাকার কাছে পুলিশের বিক্রি হওয়া ।আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি ও এই বিষয়টি নিয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করবো কারন আমাদের চিকিৎসা, গাড়ি, মোবাইল সহ অনেক ক্ষতি হয়েছে। 

সাংবাদিককে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন স্ত্রী

সাংবাদিককে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন স্ত্রী



 শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০
 অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামকে তার বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন তার স্ত্রী মোস্তারিমা সরদার নিতু।
‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করে আমাদের বাড়ির গেটে ধাক্কাধাক্কির শব্দ শুরু হয়। আমরা জানতে চাই, কারা ধাক্কাচ্ছে। এসময় বলা হয়, দরজা খুলুন, না হয় ভেঙে ফেলা হবে। এসময় আমার স্বামী কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসিকে ফোন করলে তিনি বলেন, থানা থেকে কোনও পুলিশ সেখানে যায়নি, কারা গেছে বিষয়টি তিনি দেখছেন। এর মধ্যেই তারা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে। ঢুকেই মারতে শুরু করে আরিফকে। আমার স্বামী ও আমি জানতে চাই আপনারা কারা, কেন মারছেন। এসময় তারা আরিফকে বলে, তুই অনেক জ্বালাচ্ছিস- এই কথা বলেই মারধর শুরু করে। মারতে মারতে তাকে নিয়ে যায়। তাকে একটা শার্ট পরারও সময় দেওয়া হয়নি। মাত্র পাঁচ-সাত মিনিটের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে যায়। বাসায় কোনও তল্লাশি অভিযানও চালানো হয়নি। অথচ দাবি করা হয়েছে তার কাছে মদ ও গাঁজা পেয়েছে।’
আরিফুলের স্ত্রী নিতু জানান এক পর্যায়ে দরজা ভেঙে ৭/৮ জন সাদা পোশাকধারী তাদের বাসায় প্রবেশ করে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আমার স্বামী আরিফুলকে মারধর করতে করতে ঘরের বাইরে নিয়ে আসে। এরপর আরিফুল তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তারা আবারও তাকে মারধর করে। এরপর তাকে নিয়ে সরাসরি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ‘বাড়িতে প্রবেশ করা ৭/৮ জন আনসার বাহিনীর পোশাক পরা ছিল। এছাড়াও বাইরে আরও ৪০ থেকে ৫০ জন দাঁড়িয়েছিল। আশপাশের লোকজন যাতে বাইরে বেরুতে না পারে সে জন্য প্রতিটি বাড়ির গেটের সামনে ২/৪ জন করে দাঁড়িয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনা সময় বাড়িতে আমার স্বামী, আমি আর আমার দুই শিশু সন্তান ছাড়া আর কেউ ছিল না। তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর এডিশনাল এসপি ও ওসি সাহেব আমাদের বাসা পরিদর্শন করেছেন। তারা বলেছেন, এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।’
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি জানান, রাত ২টার দিকে জেলা প্রশাস কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আরিফুলের কাছে মাদক পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ এনে রাত আড়াইটার দিকে কুড়িগ্রাম কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আরিফুল সিগারেট এমনকি পানও খান না। আর তারা বাড়িতে আসলেও শুধু আরিফুলকে ধরে নিয়ে গেছে। তারাতো আমাদের ঘরের ভেতরে সার্চ করেনি বা কোনও কিছু পায়নি। এরপরেও কেমন করে তার কাছে মাদক পাওয়া গেছে বলে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।’ তিনি বলেন, ‘দেশে কি আইন নেই? এভাবে রাতে বাড়ির গেট ও দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢুকে একজন সংবাদকর্মীকে ধরে নিয়ে যাবে আমরা কোন দেশে বাস করছি?’ এদিকে এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খ.ম আতাউর রহমান বিপ্লব জানান, ‘আমি গভীর রাতে বিষয়টি শুনেছি। এটি খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে জরুরি সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
কুড়িগ্রাম কারাগারের জেলার লুৎফর রহমান সাবাদিক আরিফের এক বছরের সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

৫০,০০০ টাকা ঋণ নিলে, হাতে পান ২৫,০০০ টাকা

৫০,০০০ টাকা ঋণ নিলে, হাতে পান ২৫,০০০ টাকা

প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
হাওর উপজেলা মিঠামইনে ব্যাংক থেকে ঋণের পুরো টাকা পাচ্ছেন না গ্রাহকেরা। গ্রাহকদের অনেকে ঋণের টাকা তোলার পর দালালের খপ্পরে পড়ছেন। এমন অভিযোগে এক দালালকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রাহকদের দাবি, এর সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জড়িত।
সম্প্রতি জনতা ব্যাংক মিঠামইন সদর বাজার শাখা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ তোলার পর অর্ধেক টাকা খুইয়েছেন মোহামিন নামের এক গ্রাহক। এ ঘটনায় তিনি কামাল হোসেন নামের এক দালালের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পুলিশ কামালকে গ্রেপ্তার করে। তিনি কামালপুর গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে।
মামলা থেকে জানা যায়, কৃষক মোহামিন চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে জনতা ব্যাংকে মিঠামইন শাখায় গিয়ে ঋণের আবেদন ফরম তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যাংকের লোকজন তাঁকে ফরম না দিয়ে কয়েক দিন অপেক্ষা করতে বলেন। এরপর ব্যাংক থেকে কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়। ব্যাংকের পরামর্শে তিনি কামালকে ব্যাংকের কর্মকর্তা ভেবে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কামাল তখন ঋণের বিনিময়ে টাকা দাবি করেন। ঋণটা খুব প্রয়োজন বিধায় মোহামিন কিছু টাকা দিতে রাজি হন। কামাল জনতা ব্যাংক থেকে একটি ফরম তুলে ৫০ হাজার টাকা ঋণ চেয়ে মোহামিনের স্বাক্ষর নিয়ে নিজেই ফরমটি ব্যাংকে জমা দেন। ফরম পূরণের ৩ দিন পর ১৫ ফেব্রুয়ারি কামাল ফোন করে মোহামিনকে উপজেলার গোপদীঘি এলাকার চান মিয়াকে নিয়ে মিঠামইন বাজারে যেতে বলেন। মোহামিন কথামতো চান মিয়ার সঙ্গে মিঠামইন বাজারে গেলে কামাল ফোন করে তাঁদের একটি দোকানে যেতে বলেন। দোকানে গেলে কামাল জনতা ব্যাংকের একটি চেক বই মোহামিনের হাতে দিয়ে স্বাক্ষর করতে বলেন। তিনি কামালের কথামতো স্বাক্ষরের পর ৫০ হাজার টাকার চেকটি চান মিয়ার হাতে দিয়ে ব্যাংকে যান। সেখানে তাঁর আরেকটি স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর চান মিয়া গ্রাহক মোহামিনকে নিয়ে আবার সেই দোকানে আসেন। সেখানে কামাল তাঁর (মোহামিন) হাতে জোর করে ২৫ হাজার টাকা তুলে দিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলেন এবং বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেন।
এ ঘটনার পর মোহামিন খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, কামাল জনতা ব্যাংকের কেউ নন। তিনি জনতা ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে নিয়মিত জোর করে এভাবে টাকা রেখে দেন।
মোহামিন ছাড়াও আল আমিন নামের আরেক ঋণগ্রহীতা ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে গিয়ে এ রকম ভোগান্তির অভিযোগ করেন। তাঁদের অভিযোগ, দালালের মাধ্যমে প্রত্যেক ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে প্রায় অর্ধেক টাকা রেখে দেওয়ার এ অপকর্মের সঙ্গে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকসহ অন্য কর্মকর্তারা জড়িত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও অন্তত পাঁচজন ঋণগ্রহীতা অভিযোগ করেন, জনতা ব্যাংকের ঋণ প্রদানে অনিয়ম-দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানিতে অতিষ্ঠ হাওরের অনেক কৃষক। কারও কারও ক্ষেত্রে ঋণের অর্ধেক টাকা রেখে দেওয়া হয়।
তবে মিঠামইন শাখা জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক তুলিপ কুমার সাহা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, তিনি একজন কৃষককে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০-৮৫ লাখ টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার কামালের ব্যাপারে তিনি দাবি করেন, কামাল তাঁর গ্রাহক, মোহামিনও গ্রাহক। দুজনের মধ্যে কী হয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। কামালের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগসাজশ নেই দাবি করে তিনি বলেন, প্রত্যেক ঋণগ্রহীতা তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবের মাধ্যমে টাকা নেন। এখন মোহামিন কেন কামালের দোকান থেকে ২৫ হাজার টাকা নিলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির রব্বানী বলেন, কামালের বিরুদ্ধে জনতা ব্যাংকে মধ্যস্থতা করে গ্রাহকদের তোলা ঋণের প্রায় অর্ধেক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে জন্য তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গেছে, কামাল এসব কাজ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে করে থাকেন।

গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির এডহক কমিটি ভেঙ্গে প্রশাসক নিয়োগ

গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির এডহক কমিটি ভেঙ্গে প্রশাসক নিয়োগ


জাহিদ হাসান জিহাদঃ গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনের পক্ষে যাওয়া সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে বর্তমান ৩ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সমাজসেবা কার্যালয় তারই পরিপ্রেক্ষিতিতে উক্ত গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির সকল কার্যক্রম জেলা সমাজসেবা কার্যালয় নিয়ন্ত্রন করবে বলে গত ২৩/০১/২০২০ তারিখে একটি চিঠি প্রেরণ করেছে গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতি বরাবর। গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির সদস্যরা গত ২৩/০১/২০২০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এম.পি, গাজীপুর সিটি কর্পোরশেনের মাননীয় মেয়র এড. জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, গাজীপুর জেলা রেজিষ্টার, গাজীপুর সমাজকল্যান অধিদপ্তর ও সদর মেট্রোথানা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করে।

উক্ত অভিযোগে বলা হয়, গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতি একটি পেশাজীবী সংগঠন, বিগত দিনে উক্ত সংগঠনের দুই বৎসর অন্তরে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে সমিতিটি পরিচালিত হয়ে আসতেছে। কমিটির মেয়াদান্তে পরবর্তী মেয়াদের কমিটি নির্বাচনের জন্য এডহক কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তী সকল এডহক কমিটি সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটির নিকট শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করে কিন্তু পরিতাপের বিষয়, সর্বশেষ গঠিত এডহক কমিটির মেয়াদ প্রায় শেষের দিকে এরই মধ্যে তারা নির্বাচন ত দূরের কথা, নির্বাচন করার ব্যাপারে কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তার পরিবর্তে গরিমষি করিয়া কালক্ষেপন করিতেছে বলে একটি লিখিত অভিযোগ করে।

উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে গাজীপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এস.এম.আনোয়ারুল করিম স্বাক্ষরিত গত ২৩/০১/২০২০ তারিখ গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির কার্যালয়, মহা পরিচালক সমাজসেবা অধিদপ্তর ঢাকা, পরিচালক (কার্যক্রম) সমাজসেবা অধিদপ্তর, ঢাকা গাজীপুর জেলা প্রশাসক, উপ-পরিচালক (নিবন্ধন) সমাজসেবা অধিদপ্তর, ঢাকা বরাবর একটি চিঠি দাখিল করেছে। উক্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের পক্ষে ২৯৩ জনের স্বাক্ষরিত একটি তালিকা তাদের বরাবর প্রেরণ করা হয়। উক্ত কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গঠনতন্ত্রের ১০ ধারা মোতাবেক দুই বঃসর অন্তর অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। গত ২৮/১২/২০১৭ তারিখে ৩ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির মেয়াদ গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৬০ দিন। মেয়াদ উর্ত্তীণ হবার পরও দীর্ঘদিন পর্যন্ত নির্বাচনের বিষয়ে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় গঠিত এডহক কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহাকারী পরিচালককে নিয়োগ দিয়েছে।

এদিকে একটি সূত্রে জানা গেছে, উক্ত সমিতির নির্বাচন নিয়ে বর্তমান বিলুপ্ত এডহক কমিটি নির্বাচন না দিয়ে একটি পকেট কমিটি করার পায়তারা করছে দীর্ঘদিন যাবৎ এবং পকেট কমিটি করার জন্য মহানগর পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক সদস্য এই প্রতিনিধিকে জানান, ৩৫০ জন সদস্যের ভিতরে ২৯৩ জন সদস্য নির্বাচন চায়, উক্ত নির্বাচনের পক্ষে একটি গণস্বাক্ষর বিভিন্ন কার্যালয়ে আমরা প্রেরণ করেছি শুধু মাত্র একটি সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য। যদি আমাদের এই দাবী না মানা হয় তাহলে আমরাও কোনো প্রকার পকেট কমিটি মানব না। এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে উক্ত নির্বাচনী এলাকায় দিনে দিনে বাড়ছে উত্তপ্ততা। যে কোনো সময় ঘটতে পারে রক্ষক্ষয়ি সংঘর্ষ। বিষয়টির প্রতি গাজীপুর প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে গাজীপুর সদর দলিল লিখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির সদস্যবৃন্দরা।

আইজিপি পদক পেলেন গাজীপুর র‍্যাব -১ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন

আইজিপি পদক পেলেন গাজীপুর র‍্যাব -১ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন
 

    

জাহিদ হাসান জিহাদ।। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার-পুলিশ হবে জনতার’ এই পতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ শুরু হয়েছে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ বছর ৭১৩ জন পুলিশ সদস্য পাচ্ছেন বিপিএম, পিপিএম ও আইজিপি পদক। এর মধ্যে সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে চারটি ক্যাটাগরিতে ১১৮ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকের (পিপিএম) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ‘আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ’ পেয়েছেন ৫৯৫ জন।

পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের এ আইজিপি পদক (আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ) পেয়েছেন র‍্যাব-১ এর গাজীপুর পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন, (জি), বিএন।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) পুরস্কার হিসেবে তাকে আইজিপি ব্যাজ পড়িয়ে দেন।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ায় ১০ হাজার উটকে গুলি করে মারার নির্দেশ

পুরস্কার পাওয়ার পর আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ পুরস্কার তাকে সামনে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা যোগাবে। তিনি সারাজীবন দেশের নির্যাতিত এবং নিপীড়িত মানুষের হয়ে কাজ করতে চান। দেশ থেকে জঙ্গিবাদ, মাদক এবং সন্ত্রাস দূর করতে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

উল্লেখ্য, এ বছর তিনি ১০ জন জঙ্গি, বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের আসামি, কয়েকশ মাদক মামলার আসামিকে গ্রেফতারসহ গাজীপুরের ১৩টি থানার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। তার সাহসী নেতৃত্বে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, হত্যা মামলার ভূমিদস্যু, চোরাকারবারিসহ প্রায় ৫শ জন আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করে অপরাধ মুক্ত দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া গাজীপুরের বিলাশপুরে চাঞ্চল্যকর রিনা হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করেন।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০১৯ পালিত।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০১৯ পালিত।

 হাসান খান ' নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকালে ৩১বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে বিজয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

শহীদ মজনু পার্কে বিজয় স্তম্ভে ফুল দিয়ে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং অগণিত মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ।
 সোনারগাঁ ছাড়াও সারা দেশেই সব শ্রেণি-পেশা’র মানুষ অংশ নিয়েছেন  বিজয় উৎসবে। আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে । বিজয় দিবসকে ঘিরে প্রধান সড়ক ও সড়ক-দ্বীপ জাতীয় পতাকায় স’জ্জিত করা হয়েছে।

আজ গৌরবময় বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণ করেছিল পাকহানাদার বাহিনী। চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

বিজয়ের অনুভূতি সবসময়ই আনন্দের। তবে একই সঙ্গে দিনটি বেদনারও, বিশেষ করে যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের জন্য। অগণিত মানুষের আ’ত্মত্যাগের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের; যেসব নারী ভ’য়াবহ নির্যা’তনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের। এ দেশের মানুষের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার তথা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফল নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
কোটি কোটি মানুষকে তিনি স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন একই লক্ষ্যে অবিচল একদল রাজনৈতিক নেতা। তাদের সবাইকেই আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকালে বিজয় স্তম্বে ও পরে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রকিবুর রহমান খাঁন, সোনারগাঁ থানার অফিসার্স ইনচার্জ মনিুজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।



সোনারগাঁয়ে দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আহসানউল্লাহ গ্রেফতার।

সোনারগাঁয়ে দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আহসানউল্লাহ গ্রেফতার।
হাসান খানঃ  সোনারগাঁয়ে দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আহসানউল্লাহ গ্রেফতার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে সিরাজগঞ্জ নন্দীপাড়া এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক রাজু মন্ডল বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ নন্দীপাড়া এলাকা থেকে দ্বীন ইসলাম হত্যার প্রধান আসামি আহসান উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। এই হত্যার ঘটনায় এর আগেও দুজকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বাকি আসামিদের অচিরেই গ্রেফতারেরর চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকার মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার সামনে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নয়াগাঁও গ্রামের সালাউদ্দিনের
 ছেলে দ্বীন ইসলামের সাথে একই গ্রামের আসাদুলের ছেলে আহসানুল্লাহর কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আহসানুল্লাহ, শাহাবুদ্দিন, আলী হোসেন, শাহীন, এরশাদ উল্লাহ সহ ৫/৬ দ্বীন ইসলামকে এলোপাথারী পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। ১০ দিন চিকিসার পর ১৪ অক্টোবর রাতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে দ্বীন ইসলামের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় দ্বীন ইসলামের বড় ভাই ইলিয়াস মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ইতিপূর্বে এ মামলায় শাহীন ও রাজু নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত আহসান উল্লাহ দ্বীন ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামী। সে নয়াগাঁও গ্রামের এরশাদ উল্লাহর ছেলে।

যুবলীগ নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করছে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা

যুবলীগ নেতা সোহেল রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্র করছে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় গাজীপুর মহানগর যুবলীগের অন্যতম নেতা এম এম সোহেল রানার বিরুদ্ধে সাংবাদিক লেলিয়ে দিয়ে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে বলে খবর পাওয়া গেছে মর্মে যুবলীগ নেতা এম এম সোহেল রানা বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছে যার নং-১২৬৮, তারিখ ৩১-১০-২০১৯। সাধারণ ডায়রীর সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মহানগরের ৩৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিন খাইলকুর এলাকার হাজ্বী বজলুর রহমানের ছেলে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের অন্যতম নেতা এম এম সোহেল রানা দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকায় একতা ক্যাবল ভিশন নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে সুনামের সহিত ব্যবসা করিয়া আসিতেছে। ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করায় উক্ত এলাকার মৃত তারা মিয়ার ছেলে কুখ্যাত ফেনসিডিল ব্যবসায়ী মজিবুর ওরফে ডাইল মজিবুর (৫০), বাবু (৩৫), জয়নাল, দক্ষিন খান এলাকার কাশেম ভূইয়ার ছেলে একরামুল ওরফে গাঞ্জা একরামুল (৩৫), খাইলকুর এলাকার সেকান্দর আলীর ছেলে ইয়াবা হারুন (৪০) এদের বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণে উল্লেখিত ব্যাক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর মহানগর যুবলীগ নেতা এম এম সোহেল রানার সাথে বিরোধ করে আসছে। উক্ত বিরোধের ধারাবাহিকতায় ঢাকা থেকে সাংবাদিক এনে গত ৩০-১০-২০১৯ তারিখে দৈনিক দেশ রূপান্তর নামক একটি পত্রিকায় এম এম সোহেল রানাকে নিয়ে সোহেল রানার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে। উক্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পত্রিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম নিন্দা জানিয়ে এলাকার জনসাধারণ সামাজিক যোগাযোগে প্রতিবাদ জানায়। এদিকে এম এম সোহেল রানা সাংবাদিকদের জানান, আমি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, ছোট বেলা থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুঁকে ধারণ করে গাজীপুর ২ আসন থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাহিদ আহসান রাসেল এম পি ও গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহŸায়ক আলহাজ্ব কামরুল আহসান সরকার রাসেল ভাইয়ের হাত ধরে রাজনীতি করে আসছি। উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকায় বীরদর্পে মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। আমি এলাকাবাসীদের সাথে নিয়ে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন রকম অভিযোগ এনে মিথ্যা তথ্য সাংবাদিকদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ পরিবেশন করছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।r

ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ সহ ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ

ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ সহ ১৬ জনের ফাঁসির আদেশ

হাসান খানঃ ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামনুুর রশিদ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।
 
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
 
এর আগে গত ৩০শে সেপ্টেম্বর আলোচিত এ মামলার রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন আদালত। রায়ের মধ্য দিয়ে ৭ মাসের মধ্যেই আলোচিত এই মামলাটির বিচারকাজ শেষ হলো।
নুসরাতকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে মামলা করেন তার মা। সেই ঘটনায় ২৭শে মার্চ গ্রেপ্তার করা হয় অধ্যক্ষকে।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৬ এপ্রিল অধ্যক্ষের লোকজন পরীক্ষার হল থেকে ডেকে মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ৫ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে ১০ই এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান নুসরাত।
এই ঘটনায় সোনাগাজী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নুসরাতের বড় ভাই। এরপর সারাদেশে প্রতিবাদের ঝড় উঠলে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়। অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলাকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশ বুরো অফ ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই এর তদন্ত কর্মকর্তা।
 
এ মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত ১৬ আসামি হলেন—সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।
হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় ১২ আসামি। ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮৭ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। আলোচিত এই রায়কে কেন্দ্র করে নুসরাতের বাড়িসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেনী সোনাগাজী মডেল থানার এ,এ,আই দিদার হোসেন।
অধ্যক্ষের যৌন হয়রানির বিষয়ে নুসরাতের অভিযোগ গ্রহণের সময় তার ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সোনাগাজী থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনেরও বিচার চলছে ।

সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন

 সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন
হাসান খানঃ নারায়ণগঞ্জ -৩ সোনারগাঁয়ের মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন, শনিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সোনারগাঁ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ৩য় তলা ভবনের উদ্ধোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি।
মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি বক্তব্যে বলেন।
স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে কেবল মুক্তিযোদ্ধারাই দুটি ভাতা পাবেন। অন্য কোনো সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী এই ভাতা পাবেন না। মুক্তিযোদ্ধারা গত বছর থেকে এ ভাতা পাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, সারা দেশের স্মৃতিস্তম্ভ ও দখল হয়ে যাওয়া বদ্দভূমি গুলো উদ্ধার করে সংস্কার করা হবে। যাতে আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে। সারা দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের দাফনের জন্য ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং কবরগুলো একই ডিজাইনের হবে যাতে ভবিষৎ প্রজন্ম দেখলেই বুঝতে পারে এটা একটা মুক্তিযুদ্ধার কবর। আগামী বছর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের একই ডিজাইনে বাড়ি করে দেওয়া হবে প্রতিটি বাড়ির ব্যয় হবে ১৫ লাখ টাকা। মুক্তিযোদ্ধাদের গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল ও চিকিৎসা খরচ সহ ৩ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি।
 

জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সার, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রশাসক অঞ্জন কুমার সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড সংসদের সাবেক কমান্ডার সোহেল রানা, ডেপুটি কমান্ডার ওসমান গনি, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সেলিনা আক্তার, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মান প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাকিম,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সোনারগাঁ উপজেলার সভাপতি সনিয়া আক্তার প্রমুখ।

টঙ্গী প্রেসক্লাবে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা-ভাংচুর

 টঙ্গী প্রেসক্লাবে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা-ভাংচুর

জাহিদ হাসান জিহাদ।।
টঙ্গী প্রেসক্লাবে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে একদল সন্ত্রাসী। এসময় ওই সন্ত্রাসী চক্রটি ক্লাবের অফিসকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় জাহাঙ্গীর আকন্দ নামে এক সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সোমবার আনুমানিক দুপুর আড়াইটার সময়। এঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানায় অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
আহত সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আকন্দ বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে আজিজুল হক ও এম. আর নাসিরসহ একদল সন্ত্রাসী অতর্কিতে প্রেসক্লাবে হামলা চালায়। এসময় তারা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম, এ হায়দার সরকার ও সাধারন সম্পাদক কালিমুল্লাহ ইকবালকে হত্যা করার জন্য খুঁজতে থাকে। পরে তাদেরকে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ক্লাবে ব্যাপক ভাংচুর শুরু করে। এসময় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আকন্দ বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাথারি মারধর করে এবং তাদের হাতে থাকা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার হাতের আঙ্গুল ভেঙ্গে যায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আহত হন।
এ ব্যাপারে টঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এ হায়দার সরকার বলেন, ওই সন্ত্রাসী চক্রটি বেশ কিছু দিন যাবত আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তারা ক্লাবে আমাকে না পেয়ে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আকন্দকে পিটিয়ে আহত করেছে এবং ক্লাবের মূল্যবান সম্পদ ভাংচুর করেছে।
এ বিষয়ে টঙ্গী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ থাকাকালে ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে টঙ্গী প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক এম.আর নাসির প্রায় ৪ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন। এ ঘটনায় সম্প্রতি কমিটির নির্বাহী পদসহ সাধারণ সদস্য পদ থেকেও এম. আর নাসিরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে বেশকিছু দিন যাবত নাসির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে।

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে খেলা নিয়ে দ্বন্দ্বে হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু



জসিম উদ্দিন রাজিবঃ ক্রিকেট খেলা নিয়ে প্রতিপক্ষের হামলার ৮দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দ্বীন ইসলাম (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দ্বীন ইসলাম পিরোজপুর ইউপির নয়াগাঁও গ্রামের মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দ্বীন ইসলামের বড় ভাই ইলিয়াস মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহত দ্বীন ইসলামের ভাই ইলিয়াস জানান, গত ৪ তারিখে নয়াগাঁও ঈদগাহ মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে আমার ভাইয়ের রাজু নামের একজনের সঙ্গে তর্ক-বির্তক হয়। এ সময় একই ইউপির বড়নয়াগাঁও গ্রামের এরশাদ উল্লাহ মিয়ার ছেলে আহসান উল্লাহ এসে আমার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরে উপস্থিত অন্যরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দেন। খেলা শেষে দ্বীন ইসলাম বাড়িতে ফেরার পথে আহসান উল্লাহসহ আরো ৩/৪জন অঅমার ভাইয়ের পথরোধ করে তাকে পিটিয়ে এবং হত্যার উদ্যেশে ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয়। এ সময় ভাইয়ের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।


মারাত্মক আহত দ্বীন ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখানে ৮ দিন চিকিৎসার পর গতকাল বিকেলে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই। কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮ টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় জড়িতের সন্দেহে একই গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে শাহিন (২০) নামে একজনকে আটক করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে থানা পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে।

পূবাইলে ঘরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

পূবাইলে ঘরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

জাহিদ হাসান জিহাদ।। গাজীপুরের পূবাইলে স্বামী ও স্ত্রীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে পূবাইল মেট্রো থানার ৪১নং ওয়ার্ডের বসুগাঁও পূর্বপাড়া এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- আবুল কালাম (৩৯) ও তার স্ত্রী পুতুল বেগম (২৫)। তাদের বাড়ি একই এলাকায়। ওই দম্পতির সাফোয়ান নামে দুই বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

পূবাইল থানার এসআই মাসুদ জানান, বুধবার দিবাগত রাতে পূবাইল মেট্রো থানার ৪১নং ওয়ার্ডের বসুগাঁও পূর্বপাড়া এলাকায় ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা স্বামী ও স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে। নিহতদের মরদেহের পাশে মরিচের গুঁড়া পাওয়া গেছে।

পূবাইল থানার ওসি নাজমুল হক ভূঁইয়া জানান, ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আশা করি খুব দ্রুত হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনসহ খুনি ধরা পড়বে।f

সংগঠন কে শক্তিশালী করতে নিজ পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিতে পারিনা কাজী আনিস

সংগঠন কে শক্তিশালী করতে নিজ পরিবারকে ঠিকমতো  সময় দিতে পারিনা কাজী আনিস

স্টাফ রিপোর্টার।।নেতা হওয়া চট্টিখানি কথা নয়। এর পেছনে থাকে ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রম। থাকে কর্মীদের প্রতি নি:স্বার্থ ভালোবাসা। সেই পরিশ্রম এবং ভালোবাসা দিয়ে যিনি কর্মীবান্ধব নেতা-তিনি কাজি আনিসুর রহমান। বলা যায়-যুবলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাড়ির খবরও যার নখদর্পনে,তিনিই কাজি আনিসুর রহমান। অবশ্য, একদিনেই তিনি এই স্থানটিতে উঠে আসেননি। এর জন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা ছিল অবর্ণনীয়। মেধা আর কাজের সমন্বয় ঘটিয়ে মন জয় করে নেন সকলের। হয়ে উঠেন সংগঠনের মধ্যমনি।
যুবলীগের সাংগঠনিক কর্মসূচীর ফাইলপত্র, প্রচার বিভাগের যাবতীয় কাজ, কর্মীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণসহ তৃণমূল পর্যায়ে কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করাই ছিল কাজি আনিসের সার্বক্ষণিক দায়িত্ব। মূলত এই কারণেই তৃণমুলে সংগঠনের ভিত হয়ে উঠে বেশ শক্তিশালী। ফলে সংগঠনের চেয়ারম্যান কাজপাগল ওমর ফারুক চৌধুরীর নেক নজরেও আসতে থাকেন তিনি। আর এভাবেই স্বীয় যোগ্যতা প্রদর্শনপূর্বক তিনি স্থান পান যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে। বর্তমানে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক তিনি।
রাতদিন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে ব্যস্থ থাকা কাজি আনিস নিজ পরিবারে সময় দিতে না পারলেও সংগঠনকেই নিজের পরিবার মনে করতেন-এমন কথা যুবলীগ কর্মীদের মুখে মুখে। কাজী আনিসুরের এইসকল গুনই একটা সময়ে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ফলে একটি চক্র কাজী আনিস এবং যুবলীগ ঘায়েলের ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। বিশেষ করে সারাদেশে যুবলীগ যখন কাউন্সিলদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সম্মেলন করে আসছে-সেই সময়ই থেকেই শুরু হয় ঐ চক্রের নানমুখী তৎপরতা। এমনকি খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন বিভিন্ন সভাসমাবেশ এবং দলীয় সভায় যুবলীগকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন, তখন থেকেই গাত্রদাহ শুরু হয় ঐ চক্রের।
এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা যুবলীগ নেতা শাহ জামাল জানিয়েছে- সারাদেশে যুবলীগকে চাঙ্গা করতে চেয়ারম্যান-সম্পাদকের পরেই দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান কাজ করে গেছেন। যেখানেই যা প্রয়োজন, আনিসুর রহমান তা করে যাচ্ছেন। সারা দেশে যুবলীগকে এগিয়ে নিতে তাঁর চেষ্টার কোন কমতি নেই। নেতাকর্মীদের মধে ঐক্য গড়া, তাদের কে সাংগঠনিকভাবে পাকাপুক্ত করতে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগ নেতা পাভেল আহমদ জানিয়েছেন- সুনামগঞ্জের পদবীধারী নেতা থেকে তৃণমূলের কর্মী পর্যন্ত আনিসুর রহমানের সাথে রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কর্মীদের কিভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হয় তা তিনি ভালো করেই যানেন।
যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুজ্জামান বলেন, রাজধানীতে চলা ক্যাসিনো থেকে সকল দলের নেতাই ভাগ বসাতেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো- তাহলে যুবলীগ কেনো হঠাৎ করে আলোচনায় আসলো? বিষয়টা সত্যিই রহস্যের। তিনি বলেন, যারা এতদিন টাকা খেয়ে নেশায় বুদ ছিলেন, মূলত সেই চক্রের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সামনে নিয়ে আসা হলো যুবলীগকে। প্রধানমন্ত্রীর শুদ্ধি অভিযান নতুন বিষয় নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন এরই ধারাবাহিকতায় যুবলীগেরও পথ চলা। কিন্তু যুবলীগের শুদ্ধতায় পথ চলায় বাধা হয়ে দাঁড়ায় একটি পক্ষ। তারা প্রধানমন্ত্রীর নেক নজর থেকে যুবলীগকে সরিয়ে ফেলতে চায়-বলেই চলছে ধারাবহিক প্রচারণা।
সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা মাসুম আহমদ একটি ছড়া কেটে বলেন, ‘ও ভাই কানা, আমার জানা, তুমি ছিলে কি ? ঘি যখন পাওনি খেতে, বলছো এখন ছি’। তিনি বলেন, ‘কেটে যাবে ঘণ ঘোর, রাত শেষে আসে ভোর’। যুবলীগ চক্রান্তের শিকার-এমন বিষয় নিশ্চিত করে তিনি বলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব-এমন গুজব ছড়ানো শেষ না হতেই সিলেটে আমাদের মহানগর সভাপতি আলম খান মুক্তির নিকট কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের নাম দিয়ে একটি ফেইক আইডি থেকে চাঁদা চাওয়া হয়। শুধু এখানেই শেষ নয়-চাঁদার জন্য একটি বিকাশ নাম্বার পাঠিয়ে দ্রুত টাকা প্রেরণের তাগিদও প্রদান করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমানের ব্যক্তিগত সেল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় মন্তব্য আদায় করা সম্ভব হয়নি।